পোস্টগুলি

জ্যোতিষ লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

দীপাবলির বিশেষ রাতে মেনে চলুন এই উপায়গুলি! পূরণ হবে সমস্ত ইচ্ছে, বাড়বে সম্পদও

ছবি
নেশন হান্ট ডেস্ক: কার্তিক মাসের অমাবস্যার দিনে দীপাবলি (Diwali) এবং দেবী লক্ষ্মী ও ভগবান গণেশের পুজো সম্পন্ন হয়। এদিকে মা লক্ষ্মীর কৃপাতে সুখ ও সমৃদ্ধি অর্জিত হয়। এমন পরিস্থিতিতে দীপাবলির রাতে যদি দেবী লক্ষ্মী প্রসন্ন হন, সেক্ষেত্রে আপনার সবথেকে বড় ইচ্ছেও পূরণ হতে পারে এবং সম্পদের বৃষ্টি হতে পারে। শুধু তাই নয়, দীপাবলির বিশেষ দিনে জ্যোতিষশাস্ত্রে কিছু উপায়ের বিষয়ে জানানো হয়েছে। যেগুলি সঠিকভাবে অবলম্বন করলে দীপাবলির রাতেই ভাগ্য বদলে যেতে পারে। তাই, আজ রাতে এই কৌশলগুলি অবশ্যই অবলম্বন করুন। এর ফলে মা লক্ষ্মী আপনাকে ধন-সম্পদ সহ পৃথিবীর সমস্ত সুখ এবং সমৃদ্ধির মাধ্যমে ভরিয়ে দেবেন। করতে হবে এই কাজ: ১. দীপাবলির রাতে দেবী লক্ষ্মীর পাশাপাশি দেবী কালিরও পুজো করা হয়। মা কালি প্রসন্ন হলে আপনার সমস্ত ইচ্ছে পূরণ হবে। ২. দীপাবলির রাতে ভগবান গণেশকে দু’টি হলুদ নিবেদন করুন। এগুলি সারা রাত ভগবান গণেশের পায়ের কাছে রেখে দিন। এরপরে, সেগুলিকে একটি লাল বা হলুদ কাপড়ে বেঁধে পরের দিন এটি আপনার টাকা রাখার জায়গায় রাখুন। এর ফলে দারিদ্র এবং সমস্ত অর্থনৈতিক সমস্যার অবসান ঘটাতে পারে। ৩. দীপাবলির রাতে পুজোর স...

এই ৩ টি বিষয়ে সতর্ক না হলেই দুঃখে কাটবে সারাজীবন! কি বলছে চাণক্য নীতি?

ছবি
নেশন হান্ট ডেস্ক: জীবনে চলার পথে আমরা বিভিন্ন ধরণের বাধার সম্মুখীন হই। যেগুলি কিছু কিছু ক্ষেত্রে তৈরি করে বড় সমস্যাও। তবে, জীবনের পথকে মসৃণ করে তুলতে সুষ্ঠু জীবনধারা সম্পর্কে সম্যক ধারণা প্রদান করেছেন আচার্য চাণক্য (Acharya Chanakya)। তিনি ছিলেন ভারতের একজন মহান রাজনীতিবিদ, কূটনীতিবিদ, এবং অর্থনীতিবিদ। সবথেকে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, তিনি জীবনের প্রতিটি বিষয় সম্পর্কে গভীরভাবে অধ্যয়ন করেছিলেন। এমতাবস্থায়, যদি কোনো ব্যক্তি তাঁর জীবনে আচার্য চাণক্য প্রদত্ত নীতিগুলি (Chanakya Niti) অনুসরণ করে চলেন সেক্ষেত্রে তিনি সফল হতে পারবেন। এমতাবস্থায়,আচার্য চাণক্য জীবনে ৩ টি বিষয় সম্পর্কে সবাইকে সতর্ক থাকতে বলেছেন। নাহলেই জীবনে নেমে আসতে পারে দুঃখের আঁধার। বর্তমান প্রতিবেদনে আমরা এই প্রসঙ্গে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপিত করছি। আরও পড়ুন:  অবশেষে মিলবে স্বস্তি? মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে বড় তথ্য সামনে আনলেন RBI গভর্নর ১. সন্তানদের মূল্যবোধের অভাব: চাণক্য নীতি অনুসারে, যেসমস্ত ব্যক্তির সন্তান ব্যর্থ হয় বা যাদের মধ্যে মূল্যবোধের অভাব থাকে, তাঁরা সর্বদা দুঃখী ও অস্থির থাকেন। এমনকি, তাঁদের সর্বদা মাথা নত...

আর মাত্র কয়েক দিন! এগিয়ে আসছে কালাষ্টমী, কালভৈরবকে তুষ্ট করতে করুন এই কাজগুলি

ছবি
নেশনহান্ট ডেস্ক : হিন্দু ধর্মে কালাষ্টমী উৎসবের বিশেষ পৌরাণিক তাৎপর্য রয়েছে। কালাষ্টমীতে বাবা কালভৈরবের পুজো করা হয়। হিন্দু পঞ্জিকা অনুসারে প্রতি মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথি কাল ভৈরবকে উৎসর্গ করা হয়। এই বছর ৫ তারিখ, রবিবার পড়েছে কালাষ্টমী তিথি। ধর্মীয় মত অনুসারে, ভগবান ভৈরবের বটুক (শিশু) রূপ, ভগবান শিবের মূর্তি পূজিত হয় কালাষ্টমীর দিন। কালাষ্টমী ভগবান শিবের ভক্তদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। এই দিনে প্রথমে তাঁর ধ্যান করুন কাল ভৈরবকে খুশি করার জন্যে। এরপর তাকে ভক্তি সহকারে নিবেদন করতে হবে সিঁদুর, গুলাল, আবীর, ফুল ইত্যাদি। অনেকে বিশ্বাস করেন যে, কালাষ্টমীর দিন ভৈরবকে নীল ফুল নিবেদন করলে জীবনে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। পাশাপাশি ভক্তরা কাল ভৈরবের আশীর্বাদধন্য হয়ে থাকে। আরোও পড়ুন :  মহিলাদের জন্য সুখবর! এই মাস থেকে লক্ষ্মীর ভান্ডারে থাকছে নয়া চমক, মিলবে ৪ হাজার টাকা শুধু তাই নয় নেতিবাচক প্রভাব কাটানোর জন্য কালভৈরবের আরাধনা করা হয়। কাল ভৈরবের পূজা করলে ভূতের ভয় থাকে না বলেও অনেকের মনে করেন। তবে একটা কথা মাথায় রাখতে হবে যে, কালভৈরবের বিশেষ আশীর্বাদ পেতে কালাষ্টমীর দিন তাঁর মন্ত্র ...

কেন রাত্রিবেলা পুজো করা হয় মা লক্ষ্মীর? আসল রহস্য লুকিয়ে আছে 'কোজাগরী' নামেই

ছবি
নেশনহান্ট ডেস্ক : কিছুদিন আগেই সমাপ্তি ঘটেছে দুর্গোৎসবের। দুর্গোৎসবের পরেই আসে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো। বাংলার প্রতিটা ঘরে ঘরে মহা ধুমধাম করে পালিত হয় লক্ষ্মীপুজো। যেসব মন্ডপে দুর্গাপুজো পালিত হয়, সেই সব মণ্ডপে পালিত হয় লক্ষ্মী পুজোও। সব মিলিয়ে আজ বাংলার সব প্রান্তেই ফের একবার উৎসবের ছবি ফুটে উঠবে। প্রতিদিন বাংলার ঘরে ঘরে পূজিত হন দেবী লক্ষী (Laxmipuja)। তবে কোজাগরি পূর্ণিমার দিন বিশেষভাবে মাকে পুজো করা হয়। শাস্ত্র বলে দেবী লক্ষ্মী নাকি খুব অল্পতেই সন্তুষ্ট হন। তবে দেবী লক্ষীকে আহ্বান জানানোর জন্য রয়েছে বিশেষ কিছু রীতি ও নিয়ম। ২৮ অক্টোবর অর্থাৎ আজ শারদ পূর্ণিমা। আজকের দিনে পালিত হবে লক্ষ্মীপুজো। চন্দ্র দেবতা ও মা লক্ষ্মীর পুজো করা হয় শারদ পূর্ণিমার দিন। বলা হয় যদি দেবী লক্ষ্মীকে কোজাগরী পূর্ণিমার দিন পুজো করা হয় তাহলে তিনি প্রসন্ন হন। ‘কো জাগতী’ থেকে কোজাগরী শব্দটি এসেছে,  যায় আক্ষরিক অর্থ ‘কে জেগে আছো?’ কথিত আছে, কোজাগরি পূর্ণিমার দিন দেবী লক্ষ্মী স্বর্গ থেকে নেমে আসেন মর্ত্যে এবং তিনি বাড়ি বাড়ি গিয়ে আশীর্বাদ দেন সকলকে।  তবে যার বাড়ীর দরজা বন্ধ থাকে দেবী লক্ষী তার বাড়িতে প...