পোস্টগুলি

Offbeat Location লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

এত্ত সুন্দর বস্তি! দেখলে আর চোখ ফেরানো যাবে না, অবাক হচ্ছেন? এরাজ্যেই মিলবে এমন অপরূপ দৃশ্য

ছবি
নেশনহান্ট ডেস্ক: এই পৃথিবীতে খেতে আর ঘুরতে ভালবাসে না এমন মানুষের সংখ্যা খুবই কম আছে। অনেকেই নিশ্চয় ভাবছেন শহরের ব্যস্ত জীবন ও কোলাহল ছেড়ে যদি  প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মাঝে কিছুটা সময় কাটানো যায় তাহলে কেমন হয়? যারা প্রকৃতিকে ভালবাসেন সেই ভ্রমণপিপাসু মানুষের জন্য সেরা ঠিকানা হতে পারে এই ছোট্ট গ্রামটি। কি ভাবছেন কোথায় এই গ্রামটি? গ্রামটি হল কার্শিয়াংয়ের কাছে ফাজে বস্তি। এটি কার্শিয়াংয়ের সেপোয় ধুরা থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার নিচে অবস্থিত। এটার চার দিকে পাহাড়, শান্ত পরিবেশ এবং তারই মাঝে গড়ে উঠেছে একটি সুন্দর জনবসতি । প্রকৃতির মাঝে সময় কাটানোর এটি একটি আদর্শ জায়গা। আরোও পড়ুন :  সুখবর! আর যেতে হবে না বিদেশ, দুবাইয়ের আন্ডার ওয়াটার জু’র মজা এবার মিলবে কলকাতাতেই পাহাড়ের মাঝে এই গ্রামটি খুব বেশি হলে ১০ থেকে ১২টি পরিবার নিয়ে গড়ে উঠেছে। ভোরের পাখিদের কুঞ্জন এবং সন্ধ্যাবেলা পাহাড়ের মাঝে সূর্যকে ডুবে যেতে দেখলে  আপনার মন ময়ূরের মতো নেচে উঠবে । আপনি চাইলে গ্রামের আশেপাশের পাহাড়ে ট্রেকিংও করতে পারেন। সবুজ জঙ্গল ও পাহাড়ে ঘেরা এই গ্রামটি অত্যন্ত  শান্ত ও নিরিবিলি । আরোও পড়ুন :  আচমকাই ...

দীঘা, পুরি ভুলে পা রাখুন এই পাখিদের গ্রামে! লোকাল ট্রেনে খরচ সামান্যই, আর মন চাইবে না ফিরতে

ছবি
নেশনহান্ট ডেস্ক : শীতকাল মানে মন চায় একটু কোথাও থেকে ঘুরে আসতে। মনোরম এই আবহাওয়া সবাই কয়েকটা দিনের জন্য একটু দূরে ঘুরতে যেতে পছন্দ করেন। শীতকালে অনেকেই পিকনিক করতে যান। আবার অনেকেই বেরিয়ে পড়েন অ্যাডভেঞ্চারের নেশায়। তবে যদি দীঘা-পুরি যেতে যেতে ক্লান্ত হয়ে পড়েন তবে আজকের এই প্রতিবেদনটি একটিবার পড়তে পারেন। আমরা কয়েক দিনের জন্য ঘুরতে যাওয়ার এমন একটি জায়গার সম্বন্ধে জানাতে চলেছি যেটি অনেকেরই অজানা। আমরা আজকের এই প্রতিবেদনে এমন একটি জায়গার সন্ধান দেব যেখানে গেলে শরীর ও মন দুটোই ভালো হয়ে উঠবে। আবার এই জায়গায় যাওয়ার জন্য প্রয়োজন নেই বেশি টাকা খরচের। অনেকের কাছেই পূর্ব বর্ধমানের চুুপির চর পরিচিত একটি নাম।    আরোও পড়ুন :  ‘ডিপেস্ট’ মেট্রো স্টেশন হিসেবে উঠে এল হাওড়ার নাম! কবে থেকে মিলবে পরিষেবা ? পূর্ব বর্ধমানের এই পর্যটনস্থলটি শীতের সময় হাজার হাজার পরিযায়ী ও অজানা পাখিদের আকৃষ্ট করে। প্রকৃতিপ্রেমী ও পক্ষী প্রেমীদের কাছে এই জায়গাটি স্বর্গ বলাই চলে। সরকারের উদ্যোগে পর্যটকদের জন্য নতুনভাবে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে এই জায়গাটি। আশা করা হচ্ছে, ভবিষ্যতে এই জায়গাটির সৌন্দর্য দেখার জন...

রয়েছে লুকোনো ইতিহাস, দেখা মিলতে পারে ভূতেরও! বাংলার এই বাড়িকে ঘিরে আছে রোমাঞ্চকর কাহিনী

ছবি
নেশনহান্ট ডেস্ক : ঘুরতে যেতে কে না ভালোবাসে! হিন্দু, পাঞ্জাবি, শিখ, মুসলমান, খ্রিস্টান সে যে জাতিরই মানুষ হোক না কেন , ঘোরার সুযোগ থাকলে কোনোমতেই হাতছাড়া করে না। তার উপর আমাদের দেশে বাঙ্গালীদের নিয়ে তো কিছু চলতি কথাই আছে। কথায় বলে, খাওয়ার দিক দিয়ে মাছে ভাতে বাঙালি, আর ঘুরতে যাওয়ার দিক দিয়ে বাঙালির পায়ের তলায় সর্ষে ফুল। হাতে দু’দিনের ছুটি পেতেই ভ্রমণপ্রিয় বাঙালিদের মন কোথাও ঘুরতে যাওয়ার জন্য উড়ু উড়ু করতে থাকে । সেজন্য কেউ যান সমুদ্রে ঘুরতে আবার, কেউ যান পাহাড়। আবার কেউ সমতলের নানান জায়গায় বেড়িয়ে আসেন। আজকের প্রতিবেদনে আমরা এমন একটা জায়গার কথাই বলব যেটা আমাদের পশ্চিমবঙ্গেই রয়েছে। জায়গাটি বোলপুর শান্তিনিকেতন। আরোও পড়ুন :  বাঁচতে দিন! আদালতে বালুর আকুতি শুনে যা বললেন ইডি আধিকারিকরা, শুনে চমকে উঠবেন আপনিও রবি ঠাকুরের দেশ শান্তিনিকেতনের নাম মাথায় এলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে বাউলদের সমাগম, বাউল গান, একতারার সুর, সোনাঝুড়ি জঙ্গল, কংকালিতলার মন্দির,  টক মিষ্টি দই ও আরও কত কি।  বছরের প্রায় সবসময়ই এখানে পর্যটকদের ভিড় লেগেই থাকে। কিন্তু জানেন কি এখানে আরো এক শতাব্দী প্রাচীন জিনিস রয়েছ...

চিরচেনা দীঘা, পুরী ছেড়ে পা রাখুন এই বিচে! অ্যাডভেঞ্চারের সঙ্গেই মিলবে নৈসর্গিক সৌন্দর্য

ছবি
নেশনহান্ট ডেস্ক : ঘুরতে যেতে কে না ভালোবাসি! সময়-সুযোগ হলেই ভ্রমণপিপাসুরা কয়েকদিন দূরে বা কাছে কোথাও ঘুরে আসতে চায়। কারও পছন্দ পাহাড়, কারও পছন্দ জঙ্গল, কেউ আবার চায় সমুদ্র। আর তা যদি নামমাত্র খরচে হয়ে যায় তাহলে তো সোনায় সোহাগা। কিন্তু বহুক্ষেত্রেই দেখা যায় যে, দীঘা, পুরী যেতে যেতে এক্কেবারে ক্লান্ত হয়ে যায় আমজনতা। সেইকারণেই আজকের প্রতিবেদনে এমন এক দুর্দান্ত সমুদ্র সৈকতের সন্ধান দেব আপনাদের যেখানে গেলে ষোলোআনা মজা তো পাবেনই তার সাথে পাবেন এক শান্ত-নিরিবিলি এক সমুদ্র সৈকতের পরিবেশ। প্রসঙ্গত, আজকে আমাদের ডেস্টিনেশন (Offbeat Destination) মহারাষ্ট্রের(Maharastra) তারকারলি সি বিচ। এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এতই মনোরম যে আপনার মালদ্বীপ কিংবা গোয়ার ফিলিংস আসবে। আরোও পড়ুন :  রেকর্ড গড়লেও সন্তুষ্ট নয় মেয়র! কর আদায়ে ‘টার্গেট’ সেট পুরসভার, পুর পরিষেবায় কী গতি বাড়বে? মুম্বাই থেকে ৪৯৩ কিলোমিটার দূরে রয়েছে এই সমুদ্র সৈকত।এই এলাকায় সারা বছরই মনোরম আবহাওয়া থাকে। তবে অক্টোবর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত এখানে ঘুরতে যাওয়ার আদর্শ সময়। আপনি এখানে স্কুবা ড্রাইভিং-এর আনন্দ নিতে পারবেন। এখানে সম...

এবার ভারতেই হবে নায়াগ্রা দর্শন! অবাক লাগছে? চলে যান এই জায়গায়, মনে হবে 'আহা! কী দেখিলাম'

ছবি
নেশনহান্ট ডেস্ক: হাতে কয়েক দিনের ছুটি পেলেই আমাদের মন উড়ু উড়ু হয়ে ওঠে। কিন্তু ঘুরতে যাওয়ার কথায় মাথায় এলে বাঙালির লিস্টে প্রথমেই চলে আসে দিঘা কিংবা পুরী। তবে অনেকেই এই জায়গাগুলোতে যেতে যেতে ক্লান্ত। আমাদের দেশে এমন বহু জায়গা রয়েছে যেগুলিতে পর্যটকদের আনাগোনা কম হলেও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দিক থেকে তার জুড়ি মেলা ভার। এমনই একটি জায়গা হচ্ছে উড়িষ্যার কোরাপুট। অপূর্ব সুন্দর এই জায়গায় রয়েছে বিস্তৃত চারণভূমি, ঘন জঙ্গল, বেশ কিছু উপত্যকা ও জলপ্রপাত। বাসনি , কোলাব ড্যাম , রাজা বিক্রমাদিত্যের ৩২ বড় ডুডুমা জলপ্রপাত, কোরাপুট শবরা শ্রীক্ষেত্র, সিংহাসন , দমনজোরি , ছোট ডুডুমা জলপ্রপাত, গুপ্তেশ্বর মন্দির, ছোট ডুডুমা জলপ্রপাত, কাঙ্গের গড় জাতীয় উদ্যান, তিরথগড় জলপ্রপাত ইত্যাদি এই জায়গার বেশ কিছু দ্রষ্টব্য স্থান। আরোও পড়ুন :  কালীপুজোর আগেই ভয় ধরাবে ঘূর্ণাবর্ত, টানা ২ দিন হবে তুমুল বৃষ্টি! ভয়াবহ আপডেট IMD’র পুরীর মন্দিরের আদলে পাহাড়ের বেশ কিছুটা উপরে অবস্থিত কোরাপুট শবরা শ্রীক্ষেত্র। এখানকার ছোট ডুডুমা জলপ্রপাতটি পর্যটকদের মন আকর্ষিত করবে। কোরাপুট থেকে ৪৫ কিলোমিটার দূরে নন্দপুর গ্রাম...

কলকাতার কাছেই এবার 'সুইজারল্যান্ডে'র ছোঁয়া! ঢুঁ মারুন উত্তরবঙ্গের এই গ্রামে, খরচও খুবই সামান্য

ছবি
নেশনহান্ট ডেস্ক : রোজের কর্ম ব্যস্তময় দিন থেকে আমরা সকলেই চাই কয়েক দিনের বিশ্রাম। অনেকের কাছে এই বিশ্রামের ডেসটিনেশন হল পাহাড়। পাহাড় মানে শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সমারহ নয়, পাহাড় মানে এক নিস্তব্ধ স্বর্গে নিজেদের কয়েকটা দিন অতিবাহিত করা। ঘুরতে যাওয়ার সাথে সাথে আমাদের যে বিষয়টি সবসময় মাথায় রাখতে হয় সেটি হল বাজেট। কোলাহল থেকে দূরে অনেকেই আবার খোঁজ করেন অফ বিট ডেসটিনেসনের। আজকের এই প্রতিবেদনে তেমনই একটি বাজেট ফ্রেন্ডলি অফ বিট ডেসটিনেসন সম্পর্কেই আলোচনা করা হল। শহরের কোলাহল থেকে দূরে যদি কয়েকটা দিন শীতল পাহাড়ি পরিবেশে কাটিয়ে আসতে চান তাহলে আপনার ডেস্টিনেশন হতে পারে তোরিয়ক (Toryok)। আরোও পড়ুন :  লেপ, কম্বল নিয়ে রেডি হয়ে যান! দক্ষিণবঙ্গে শীঘ্রই শীতের প্রবেশ, বড় আপডেট দিল হাওয়া অফিস এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আপনার মন ও শরীর দুই সতেজ করে তুলবে। এখান থেকে দেখা পাওয়া যায় সুদৃশ্য কাঞ্চনজঙ্ঘার। এখানের আকাশে মেঘেদের খেলা ও শীতল হাওয়ার চুম্বন আপনাকে নিয়ে যাবে এক অনন্য জগতে। এছাড়াও এখানকার পাইন বন এই জায়গাটির অন্যতম আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। একটিবার আপনারা তোরিয়ক গেলে আপনি ভুল...

উত্তরবঙ্গে লুকোনো স্বর্গ, সামান্য খরচে ঘুরে আসুন এই হিল স্টেশন! মিলবে শান্তি

ছবি
নেশনহান্ট ডেস্ক : কথায় বলে বাঙালির পায়ের তলায় সর্ষে। কয়েকটা দিনের ছুটি পেলেই আমরা ঘুরতে বেরিয়ে জীবনটাকে উপভোগ করি। তবে এমন অনেক জায়গা রয়েছে যেগুলি আমাদের কাছে অত্যন্ত পরিচিত হয়ে উঠেছে। বলা ভালো সেই জায়গাগুলি আমাদের আত্মার সাথে মিশে গেছে। যেমন ধরা যাক সমুদ্রের কথা মনে আসলেই আমরা চলে যাই দীঘা। আবার পাহাড়ের কথা মাথায় আসলে আমরা পাড়ি জমাই দার্জিলিং কিংবা কালিংপংয়ে। কিন্তু এইসব জায়গায় গিয়ে গিয়ে অনেকেই ক্লান্ত। এখন অনেক পর্যটক বিভিন্ন অফবিট জায়গার সন্ধানে রয়েছেন। অফ বিট জায়গাগুলি যেমন অচেনা, তেমনই এখানে পর্যটকের সংখ্যাও কম। শহরের জন অরণ্য ছেড়ে তাই কয়েকটা দিন নিশ্চিন্তে ছুটি কাটানো যায় এই জায়গাগুলিতে। আরোও পড়ুন :  চাকরির সুযোগ এবার স্বাস্থ্য দপ্তরে! মাধ্যমিক পাশেই হবে আবেদন, রয়েছে প্রচুর শূন্যপদ আজ আমরা আপনাদের এমন একটি পাহাড়ি গ্রামের সন্ধান দেব যেটি পর্যটন মানচিত্রে খুঁজে পাবেন না। কালিম্পংয়ে কিছু নেপালি পরিবারকে নিয়ে গড়ে উঠেছে পাহাড়ি গ্রাম সামথার। মাত্র আড়াই ঘন্টার দূরত্ব শিলিগুড়ি থেকে কালিম্পংয়ে। সেখানেই পাহাড়ের গায়ে গড়ে উঠেছে ছোট্ট একটি গ্রাম। এটি একটি নি...

খুবই কম খরচে সফর! নির্জনতায় মোড়া এ যেন এক পাহাড়ি স্বর্গ, এখানে গেলে দু'দিনেই এক্কেবারে ফ্রেশ

ছবি
নেশনহান্ট ডেস্ক : কালিম্পং নামটা শুনলেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে এক পাহাড়ি স্বর্গ। যারা পাহাড় ভালবাসেন তারা জীবনে অন্তত একবার কালিম্পং গিয়েই থাকবেন। দার্জিলিং ঘুরতে গেলে সবার ডেস্টিনেশন লিস্টে অবশ্যই থাকে কালিম্পং। অনেকে দার্জিলিং ঘুরে ফেরার পথে কালিম্পং ঘুরতে যান। তবে অনেকেই রয়েছেন যারা আজকালএকটু অফ বিট স্থানে ঘুরতে যেতে পছন্দ করেন। সেরকম একাধিক অফবিট লোকেশন অবস্থিত কালিম্পংয়ের খুব কাছে। এগুলির মধ্যে অন্যতম হল ইয়াং মাকুম। পর্যটন মানচিত্রে এই জায়গাটি খুব প্রসিদ্ধ না হলেও এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যতা মনোমুগ্ধকর। কালিম্পং থেকে যে রাস্তা পানবুর দিকে গেছে সেই দিকে পড়বে ইয়াং মাকুম। আরোও পড়ুন :  এখনই হন সতর্ক, এই ৬ ব্যক্তিকে ভরসা করলেই জীবনে নেমে আসবে অন্ধকার! কি বলছে চাণক্য নীতি? পানবুর আগেই একটি রাস্তা রয়েছে যেটি বেঁকে গেছে। সেই রাস্তা ধরে কিছুটা এগোলোই আপনারা পৌঁছে যাবেন ইয়াং মাকুমে। দিনের বেলা খুব একটা ঠান্ডা পড়ে না এই জায়গায়। রাতের দিকের তাপমাত্রা আপাতত বেশ মনোরম। সকালবেলা পরিষ্কার আকাশে দেখা যাবে রোদের ঝিকিমিকি। কালিম্পং আর কাঞ্চনজঙ্ঘাকে একসাথে দর্শন করা যায় ইয়াং মাকুম থ...